...Dreaming is Thy Prayer...

Tuesday, November 14, 2006

[008] :: A Young Voter :: Few days of 2006 ::

The following entry needs a Bangla UNICode font installed in your system.
Preferably the updated Vrinda. Please click here to download Vrinda
Please update your Vrinda & read without any visual difficulty.


:: এক তরুন ভোটারের কাছে ২০০৬ সালের কয়েকটি দিন ::

[১]
জীবনের প্রথম ভোট প্রয়োগের অভিজ্ঞতা হয়েছিল ২০০১ সালে বাংলাদেশের সাধারন নির্বাচনে। পাঁচ বছরের (১৯৯৬-২০০১) ত্রাস সৃষ্টিকারী শাসন দেখার পর মোটামুটি নিঃসন্দেহ ছিলাম কাকে ভোট দেবো। যেহেতু সেটা ছিল আমার প্রথম ভোট প্রয়োগ তাই চেয়েছিলাম আধুনিক ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়ার জন্য যোগ্য নেতৃত্বকে নির্বাচিত করতে। আমাকে আরো প্রভাবিত করেছিল আমার আসনে (ঢাকা-৯) বড় দুটি দলের প্রার্থী মনোনয়ন। এডভোকেট খন্দকার মাহবুবউদ্দিন বনাম হাজী মকবুল। আমি নিশ্চিত এটুকু পড়ার পর সবাই মেনে নেবেন কেন আমি আমার ভোটটা বিএনপি-কেই দিয়েছিলাম।

[২]
এরপরের পাঁচ বছরে আমি আরো সচেতন(Mature) হয়েছি। মাড়িয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনা। আবিস্কার করেছি জীবনের কঠিন ও বাস্তব অন্যান্য সব দিক। এর মাঝে আকর্ষনীয় এক চাকরীর সুবাদে সুইডেনেও কাটিয়ে এসেছি এক বছর। এরই মাঝে কিছুটা আনন্দ, কিছুটা আশা আর আশাভঙ্গের বেদনা, কিছু ক্রোধ আর ক্ষোভ আর সেই সাথে কিছু স্বপ্ন নিয়ে দেখেছি বিএনপি-র হাত ধরে বাংলাদেশের এগিয়ে চলা। সুইডেনের সেই ইউটোপিয়ান(Utopian) সমাজে বসেও ভেবেছি বাংলাদেশ কে নিয়ে। আশার সাথে দেখেছি দেশের এগিয়ে যাওয়ার সূচক গুলো, আবার আশাহত হয়েছি দুর্নীতির লিস্টে বাংলাদেশের অবস্থান দেখে। দেশকে নিয়ে নিত্যনতুন স্বপ্ন দেখেছি কিন্তু সেই সাথে হয়েছি আরও বাস্তববাদী।

[৩]
দেশে ফিরে এসেছি এই সেদিন। রোজার মাঝামাঝি একটা সময়ে। প্রথমেই যে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি সবার কাছ থেকে তা হচ্ছে, “কি হে! কবে ফিরে যাচ্ছ?” মর্মাহত হয়ে ভেবেছি আমার দেশে ফিরে আসায় সবাই এত হতবাক কেন? বুঝতে খুব একটা সময় লাগেনি, যখন দেখেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান পদে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কে.এম.হাসান প্রশ্নে লগি-বৈঠা-কাস্তের হুমকিতে সাধারন মানুষের আতঙ্ক আর সবশেষে সেই আতঙ্কের বাস্তব রূপায়ন। প্রশ্নের পর প্রশ্ন জেগেছে। নিজের মনেই উত্তর খুঁজেছি।

[৪]
প্রশ্ন জেগেছিল, মি. কে এম হাসান যদি এতই বিতর্কিত আর অগ্রহনযোগ্য হন, তাহলে তিনি যে ক’বছর দেশের প্রধান বিচারপতি ছিলেন তখন তার গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন কেন তুললেন না? সে সময় করা তার বিচারগুলি তাহলে কতটুকু নিরপেক্ষ? আওয়ামী লীগ যদি নির্দলীয়, নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে এতই চিন্তিত হয়, তবে সেই চিন্তা এত বছর ধরে দেশের মানুষের ‘নির্দলীয়’ সুবিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে কোথায় ছিল? কেন শুধুমাত্র নির্বাচনে হার-জিতের ক্ষেত্রেই সময় এলো দেশকে অবরুদ্ধ করার? কেন দরকার হলো দেশের প্রধান বিচারক নামের প্রতিষ্ঠানটিকে বিতর্কিত করার? এর কোন গ্রহনযোগ্য উত্তর পাওয়া কী সত্যিই সম্ভব?

[৫]
সংবিধান নিয়ে এত বিতর্কের মাঝে আমি সংবিধানটাই পড়ে ফেললাম। ইন্টারনেটের এই যুগে আমাকে সংবিধান ব্যাখ্যার জন্য মিডিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি অথবা অন্য কারো জন্য আর অপেক্ষা করতে হয় না। পড়ার পর আমি নিশ্চিত হলাম ৫৮(গ)৩ ধারা যদি আওয়ামী লীগ না মানে তাহলে এর পরের ধারা গুলি বিএনপি ও মানবে না। একই ভাবে ৫৮(গ)৪ এর ব্যাপারেও কেউ একমত হবে না। আর ৫৮(গ)৫ যেখানে বলা হয়েছে একজন ব্যাক্তিকে নিয়ে সবার একমত হবার কথা, সেটার তো প্রশ্নই আসে না। যেখানে ক্ষমতার লোভে প্রকাশ্যে বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়, যেখানে বন্দুক নিয়ে জনসমক্ষে গুলি করা হয়, সেখানে ৫৮(গ) এর ৩ থেকে ৫ ধারা সবকটিই অবলীলায় অবমাননা করা সম্ভব। আওয়ামী লীগ যদি ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশল হিসেবে পারে একটা ধারাকে অবলীলায় বাতিল করে দিতে, পরের একটা ধারা বিএনপি কেন বাতিল করে দেবে না? সাধারন ভোটার হিসেবে এটুকু আমি খুব ভাল করেই বুঝি যে, ক্ষমতায় যাওয়ার লোভ–লালসা–লিপ্সা আওয়ামী লীগের যতটুকু আছে বিএনপির ও তারচে কিছু কম নেই।

[৬]
স্বাভাবিক ভাবেই সংবিধান সমুন্নত রাখতে দেশের রাষ্ট্রপতি, যিনি শপথ নিয়েছিলেন যে কোনো অবস্থায় সংবিধানকে রক্ষা করার, তিনি এ সঙ্কটকালীন অবস্থায় দেশের কার্যক্রম পরিচালনা করার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। সংবিধানকে সম্মান জানাতেই তিনি ৫৮(গ)৬ অনুযায়ী বাধ্য হলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও প্রধান হতে। যদিও আমি খুব ভাল করেই বুঝতে পারছিলাম, যারা সংবিধানের ৫৮(গ) এর শুরুর ধারা গুলিকে সম্মান দেখায়নি, তারা যখন দেখবে রাষ্ট্রপতি ৫৮(গ)৬-কে সম্মান দেখাচ্ছেন আর সেই সাথে দেশকেও বাঁচাচ্ছেন এক অস্বাভাবিক সঙ্কটের হাত থেকে, তারা সেটা কোনভাবেই মেনে নেবে না। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে যখন বছরের পর বছর প্রধান বিচারপতি থাকা ব্যক্তিকেও দলীয় এবং অনিরপেক্ষ বলে অপমান করা যায়, তখন তারা খুব সহজেই নিজ স্বার্থে রাষ্ট্রপতি বা তত্ত্বাবধয়াক সরকার প্রধান বা অন্য যে কাউকে অপমান করতে পারবে। মেনে নেবে না দেশকে সঙ্কট থেকে বাচানোর এক মহান কিন্তু কঠিন কাজ করার সদিচ্ছাকে।

[৭]
দেশের এই সঙ্কটে মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজের দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বও নিলেন। আর সে কারনেই আওয়ামী লীগের খুব রাগ হলো। অনেক রাগ। যদিও কারও রাগ হলে তাতে আমার মোটেই কোন আপত্তি নেই। আর অবশ্যই আমি জানি তারা আমার ওপর রাগ হননি। তাদের রাগ হলো ক্ষমতা প্রত্যাশী আরেক দল বিএনপির ওপর অথবা তাদের ক্ষমতায় যেতে বাধা সৃষ্টিকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর। ভালো কথা। করুন যত খুশি রাগ। কিন্তু আমার প্রশ্ন, সেই রাগের কারনে আমি এবং আমার মত হাজার-লক্ষ-কোটি মানুষ কেন ঘরে অবরুদ্ধ? কেন আমি চাকরির খোঁজে অফিসে যেতে পারবো না? কেন আমার মা আমাকে বৈঠাধারী ঘাতকের ভয় দেখাবে? কেন আমার বাবা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখবেন? কেনই বা আমার ভাই-বোন তাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবে না? কেন তাদের পরীক্ষাগুলো অনির্দিষ্ট কালের জন্য পিছিয়ে যাবে? কেন আমি পনের টাকার লাউ অবরোধের দোহাই শুনে চল্লিশ টাকায় কিনতে বাধ্য হবো? কেন মৃত্যুপথযাত্রি রোগী সময়মতো যেতে পারবেন না হাসপাতালে? বাদ দিলাম আমার বা আমাদের ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা। আমার দেশটাই বা এর খেসারত কেন দেবে? চট্টগ্রাম বন্দর কেন অচল থাকবে? দৈনিক ক্ষতি হবে কোটি কোটি টাকা? ঢাকা শহর কেন বিচ্ছিন্ন থাকবে সারা দেশ থেকে? হাজারো সমস্যায় ইতোমধ্যেই জর্জরিত গার্মেন্টস খাত কেন দৈনিক লোকসান গুনবে শত শত কোটি টাকা? বহির্বিশ্বের কাছে কেন আমরা চিহ্নিত হব সংঘাতমুখর দেশ হিসেবে? তাদের এই রাগ আসলে কার উপর? যদি আমার উপর না হয়, সেই রাগ তাহলে আমার উপর ঝাড়ার অর্থ কী? যদি তাদের এই রাগ বাংলাদেশের উপর না হয়, তাহলে দেশটাকে জিম্মি করে রাখার মানে কী? পুরো জাতিকে এই চরম অসুবিধায়, এই অবর্ননীয় কষ্টে ফেলার মানে কী? তাদের এইসব রাজনৈতিক কর্মসূচীকে গ্রহনযোগ্য করার জন্য যে জনগনের দোহাই তারা সকাল-বিকেল দিচ্ছেন সেই জনগনটা আসলে কারা? আর যদি আমরা সেই জনগনের অংশ না হই, তাহলে আমরা কারা?

[৮]
এ তো গেলো রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের উপর রাগের কথা। তাদের আরো বড় রাগ নির্বাচন কমিশনের উপর। আরো সুনির্দিষ্ট করে বললে মি. এম.এ.আজিজের উপর। তাকে নিয়ে অনেক কথা। অনেক টাকা খরচ করেও পারেননি একটা ভালো দেখে ভোটার তালিকা করতে। শেষে হাইকোর্ট বললেন আগের তালিকাকে মুল ধরে ভোটার তালিকা বানাতে। সেটা তিনি বানাচ্ছেন। চাইছেন বেধে দেয়া নব্বই দিনের আগেই একটা ভাল নির্বাচন করে সকল সমালোচনার উপযুক্ত জবাব দিতে। কাজ করে যাচ্ছেন। আসলে বলা ভাল করতে চাইছিলেন। বোধহয় পারছেন না তার পদত্যাগের দাবিতে করা হুল্লোড়ের কারনে আর মিডিয়ার হইচইয়ের কারনে। তিনিও আরেক সাবেক বিচারক। যেনতেন নন, একেবারে আপিল বিভাগের সাবেক। এখন দাবি হল, তাকেও নামতে হবে। এক বৈঠার গুতোয় যদি মি.হাসানকে হেনস্থা করা যায়, তাহলে মি.আজিজকেও নিশ্চয়ই যাবে। এখানেও দেখলাম কারো কোনো মাথাব্যাথা নেই সংবিধান নিয়ে। ৫৮(গ) এর না হয় ৬ নম্বর ধারা ছিলো। আর তাই রাষ্ট্রপতি পেরেছিলেন অতল গহবরের কিনারা থেকে দেশকে সরিয়ে আনতে। কিন্তু মি.আজিজের পর কি হবে? কে হবেন তার পরের প্রধান নির্বাচন কমিশনার? কেউ কেন সেটা বলে দিচ্ছেন না? ওইযে কত সংবিধান বিশেষজ্ঞ, তারা কিছু বলছেন না যে? আমি সংবিধানটা নামিয়েছি ঠিকই ইন্টারনেট থেকে, কিন্তু এর কোনো জবাব কোথাও পাচ্ছি না। কারন বোধহয় এর কোন সুনির্দিষ্ট জবাব কোথাও স্পষ্ট করে লেখা নেই। তার মানে অবধারিত ভাবে আরেক নতুন সঙ্কট। আমি অবশ্যই কেউকেটা কেউ নই। যদি হতাম, মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানকে একটা কৌশল বাতলে দিতাম। বলতাম, আপনি একটা ভাষন দিয়ে বলে দিন, যেই মুহুর্তে সব রাজনৈতিক দল মিলে ঘরে বসে আলোচনা করে সর্বসম্মতভাবে একজন নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নাম আপনাকে প্রস্তাব করবে, সেই মুহুর্তে আপনি মি.আজিজ কে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করবেন তার পদটা ছেড়ে দিতে। আমি নিশ্চিত তা তিনি করবেনও। মি.আজিজ শপথ নিয়েছিলেন ভয় ভীতিতেও নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়ার, সংবিধানকে সমুন্নত রাখার। তিনি কি তাই করছেন না? কেন তিনি ঝুঁকি নেবেন দেশকে আবার সাংবিধানিক সঙ্কটে ফেলে দেয়ার? আজকে আওয়ামী লীগ এবং তাদের বর্নিত ‘তথাকথিত জনগন’ মি.আজিজকে চান না। এরপরের নতুন একজনকে যে বিএনপি এবং অন্য আরেক ‘তথাকথিত জনগন’ নামিয়ে দিতে চাইবে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে? আর তখন ঐ অনিশ্চয়তার দায়ভারটা কে নেবেন? একের পর এক সাংবিধানিক জটিলতা আর একের পর এক রাজনৈতিক কর্মসূচী আর তার পর আমরা সকলে জিম্মি, এটা কোনভাবে আমার দেশে হতে পারে না। কোনভাবেই না। রাগার অধিকার আপনাদের যেমন আছে, আমাদেরও আছে। কিন্তু আমার রাগের বহিঃপ্রকাশ আমি বৈঠা, কাস্তে বা বন্দুক দিয়ে নয়, আমার ভোট দিয়ে করব।

[৯]
এবার বলি যাদের একবার ভোট দিয়েছিলাম সেই বিএনপির কথা। আমি তাদের কাজগুলিও ঠিকমতো বুঝতে পারছিনা। তারা তো নিশ্চিত নির্বাচন চান। এ নিয়ে আমার মনে কোন দ্বিধা নেই। তাহলে তারা কেন ঢাকা শহরে বসে বসে বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন? নির্বাচনের আর মাত্র দু’মাস বাকি। কেন তারা সব জেলায় জেলায়, থানায় থানায় গিয়ে ভোট চাওয়া শুরু করছেননা? একটা দল যদি পল্টন দখল করে বসে থেকে; মি.আজিজ আর মহামান্য প্রধান উপদেষ্টা আর উপদেষ্টাদের পিছে লেগে থেকে সময় নষ্ট করতেই চায়, সেটা তাদের দলীয় ব্যাপার। কিন্তু বিএনপিও কেন তাদের পিছে বিবৃতি দিয়ে কালক্ষেপন করছে? তাদের তো এখন উচিৎ সবার কাছে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করা। জনগণকে বলা কেন তারা পারেনি বিদ্যুতের সমস্যা মেটাতে, কেন পারেনি দ্রব্যমূল্যের লাগাম ধরতে। আর কিভাবেই বা তারা ভবিষ্যতে পারবে এসব সমস্যার সমাধান করতে। ১৯৯৬-এর নির্বাচনজয়ী আওয়ামী লীগ ২০০১-এ বলতে পারেনি হাজারী-হাজী মকবুল-হাজী সেলিম-শামীম ওসমান দের হাত থেকে কিভাবে আমাদের বাচাবে। বরং সেই হাজারীকে নিয়েই করেছিল জনসভা। তার জবাবও তারা পেয়েছিল। সেই একইভাবে বিএনপিরও বোঝা উচিৎ, ২০০১-এ একবার ভোট দিয়েছি তারমানে এইনা যে সবসময় চোখ বুজে তাদেরই ভোট দিয়ে যাবো। আমাদের কাছে আসুন, বলুন কিভাবে সত্যিই পারবেন বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমধান করতে। আমি একবিংশ শতাব্দির নাগরিক। জবাব নেয়া ছাড়া আমি ভোট দেবোনা। আমার ভোটটা এত সস্তা না।

[১০]
আর কারো রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের উপর ভরসা নাও থাকতে পারে, আমার আছে। আর সেদিন শুনলাম, আমাদের মত তরুনদের যিনি স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেই ড. ইউনুস ও ভরসা রেখেছেন তাঁর উপর। রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান একটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সংবিধান অবশ্যই তিনি সমুন্নত রাখবেন। এ ব্যাপারে আমি সুনিশ্চিত। কোন দল চাইবে দেশকে অস্থিতিশীল বানাতে আর অন্য কোন দল গালে হাত দিয়ে সেই ঘটনা দেখবে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানকে বলি, আপনি যেকোন রকম সংঘাতের হাত থেকে আমাদের প্লিজ রক্ষা করুন। আর প্লিজ নির্বাচনটা সময়মত করুন। শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ ভাবে, যার প্রতিশ্রুতি আপনি দিয়েছিলেন।

নির্বাচনটা আসলে সবাই চান তো? আমি কিন্তু অবশ্যই চাই। ঐ একদিনের জন্য রাজা হতে আমার বেশ ভালোই লাগে। আমি একবারের অভিজ্ঞতা থেকে খুব ভালই জানি কিভাবে জনগণ সত্যিই পারে আসলেই ক্ষমতার সকল উৎস হতে।

Jamil Haider
Dhanmondi, Dhaka
shunagorik@gmail.com

0 Comments:

Post a Comment

<< Home